ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে চা বাগানের শিশুদের শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত ও জন্ম নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের- আজাহার আলী মৃধার শুভেচ্ছা গজারিয়ায় ফরাজীকান্দি তৈয়ব আলী আত তাইয়্যাবিয়া মাদ্রাসা সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি করতোয়া নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ফাইনাল খেলা ও পুরুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের,এমপি চন্দনাইশে হাশিমপুর ভাই খলিফাপাড়া সড়কের বেহাল-দশা সাতকানিয়ায় সাপের কামড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু বাউফলে সেই অজ্ঞাত নারীর পরিচয় মিলেছে পটুয়াখালীতে ৮৬.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

এশিয়া কাপ জিততে পারে আফগানিস্তান, বললেন রশিদ খান

এশিয়া কাপের সম্ভাব্য বিজয়ীর তালিকা করাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। একে তো মাত্র ৬ দলের টুর্নামেন্ট, তার ওপর এশিয়ার ক্রিকেটে পরাশক্তি বলতে তিনটি দলই আছে—ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। গত তিন প্রতিযোগিতার দুটিতেই ফাইনাল খেললেও এখনো পর্যন্ত কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজ জিততে না পারার রেকর্ড বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখছে। আফগানিস্তান ও হংকংয়ের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা তো কেউ মাথায়ও আনছেন না।

রশিদ খান এ নিরাশাবাদীদের দলে নেই। এশিয়ান ক্রিকেটে শক্তিমত্তায় পাঁচে থাকলেও এ টুর্নামেন্টের সেরা হওয়ার আশা করছেন এই লেগ স্পিনার। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সবচেয়ে ভয়ংকর এই স্পিনার জাতীয় দলে সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন ‘রহস্য স্পিনার’ মুজীব-উর-রহমানকে। তাই এশিয়া কাপের তথাকথিত বড় দলকে হারানোর স্বপ্নটা বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস পাচ্ছেন রশিদ, ‘অবশ্যই (আফগানিস্তান এশিয়া কাপ জিততে পারে কি না)। আমাদের এটা জেতার প্রতিভা ও দক্ষতা আছে। আমরা শুধু স্নায়ুচাপে না ভুগে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলেই হলো।’

এশিয়া কাপের ইতিহাস ঘাটতে গেলে আফগানিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভাবা কঠিন। ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো এ টুর্নামেন্টে খেলতে এসে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু পরের আসরেই তারা ব্যর্থ। বাছাইপর্বেই পেরোতে পারেননি রশিদ-নবীরা। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অনেক অনেক এগিয়ে থাকার পরও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে টপকে এশিয়া কাপে আসা হয়নি তাদের। এমনকি হংকংও আফগানিস্তানের চেয়ে বেশি সংখ্যকবার এশিয়া কাপ খেলেছে। রশিদ তবু নিজেদের বিজয়ী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখেন, ‘আমাদের শুধু খেলাটা উপভোগ করা দরকার। এবং কার বিপক্ষে খেলছি এ চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। আমাদের বল খেলা উচিত, বলের পেছনের খেলোয়াড়টিকে নয়।’

বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পরিচিত মুখ রশিদের ধারণা সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের সাফল্য ওয়ানডেতেও টেনে আনা সম্ভব। জিম্বাবুয়েকে টপকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে আফগানিস্তান। বাছাইয়ের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে শিরোপাও জিতেছিল (সাবেক আইসিসি ট্রফি) রশিদের অধীনের আফগানিস্তান। টুর্নামেন্টের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত হারের পরও চাপকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারাতেই এসেছে সে সাফল্য। রশিদের ধারণা, এটা করতে পারলে এশিয়া কাপেও সাফল্য পাবেন তারা, ‘আমার ধারণা এটাই মূল প্রভাবক হবে। আমরা যদি চাপ সামলে সঠিক কাজটা করতে পারি, সঠিক সময়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেই, এটাই ওদের ও আমাদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেবে। আমাদের ভালো প্রতিভা আছে, ভালো স্পিন বোলিং, ব্যাটিং ও ফাস্ট বোলিং। তারাই জিতবে, যারা চাপ সামলাতে পারবে। অবশ্যই সুযোগ আছে, আমরা যে কোনো দলকে হারাতে পারি। আমাদের শুধু মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং নিজেদের সর্বোচ্চটা প্রকাশ করতে হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মাধবপুরে চা বাগানের শিশুদের শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত ও জন্ম নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

এশিয়া কাপ জিততে পারে আফগানিস্তান, বললেন রশিদ খান

আপডেট টাইম ১১:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এশিয়া কাপের সম্ভাব্য বিজয়ীর তালিকা করাটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। একে তো মাত্র ৬ দলের টুর্নামেন্ট, তার ওপর এশিয়ার ক্রিকেটে পরাশক্তি বলতে তিনটি দলই আছে—ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। গত তিন প্রতিযোগিতার দুটিতেই ফাইনাল খেললেও এখনো পর্যন্ত কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজ জিততে না পারার রেকর্ড বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখছে। আফগানিস্তান ও হংকংয়ের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা তো কেউ মাথায়ও আনছেন না।

রশিদ খান এ নিরাশাবাদীদের দলে নেই। এশিয়ান ক্রিকেটে শক্তিমত্তায় পাঁচে থাকলেও এ টুর্নামেন্টের সেরা হওয়ার আশা করছেন এই লেগ স্পিনার। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সবচেয়ে ভয়ংকর এই স্পিনার জাতীয় দলে সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন ‘রহস্য স্পিনার’ মুজীব-উর-রহমানকে। তাই এশিয়া কাপের তথাকথিত বড় দলকে হারানোর স্বপ্নটা বাস্তবে রূপ দেওয়ার সাহস পাচ্ছেন রশিদ, ‘অবশ্যই (আফগানিস্তান এশিয়া কাপ জিততে পারে কি না)। আমাদের এটা জেতার প্রতিভা ও দক্ষতা আছে। আমরা শুধু স্নায়ুচাপে না ভুগে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলেই হলো।’

এশিয়া কাপের ইতিহাস ঘাটতে গেলে আফগানিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভাবা কঠিন। ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো এ টুর্নামেন্টে খেলতে এসে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু পরের আসরেই তারা ব্যর্থ। বাছাইপর্বেই পেরোতে পারেননি রশিদ-নবীরা। টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অনেক অনেক এগিয়ে থাকার পরও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে টপকে এশিয়া কাপে আসা হয়নি তাদের। এমনকি হংকংও আফগানিস্তানের চেয়ে বেশি সংখ্যকবার এশিয়া কাপ খেলেছে। রশিদ তবু নিজেদের বিজয়ী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখেন, ‘আমাদের শুধু খেলাটা উপভোগ করা দরকার। এবং কার বিপক্ষে খেলছি এ চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। আমাদের বল খেলা উচিত, বলের পেছনের খেলোয়াড়টিকে নয়।’

বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পরিচিত মুখ রশিদের ধারণা সংক্ষিপ্ততম সংস্করণের সাফল্য ওয়ানডেতেও টেনে আনা সম্ভব। জিম্বাবুয়েকে টপকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে আফগানিস্তান। বাছাইয়ের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে শিরোপাও জিতেছিল (সাবেক আইসিসি ট্রফি) রশিদের অধীনের আফগানিস্তান। টুর্নামেন্টের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত হারের পরও চাপকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারাতেই এসেছে সে সাফল্য। রশিদের ধারণা, এটা করতে পারলে এশিয়া কাপেও সাফল্য পাবেন তারা, ‘আমার ধারণা এটাই মূল প্রভাবক হবে। আমরা যদি চাপ সামলে সঠিক কাজটা করতে পারি, সঠিক সময়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেই, এটাই ওদের ও আমাদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেবে। আমাদের ভালো প্রতিভা আছে, ভালো স্পিন বোলিং, ব্যাটিং ও ফাস্ট বোলিং। তারাই জিতবে, যারা চাপ সামলাতে পারবে। অবশ্যই সুযোগ আছে, আমরা যে কোনো দলকে হারাতে পারি। আমাদের শুধু মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে এবং নিজেদের সর্বোচ্চটা প্রকাশ করতে হবে।’