ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের অভিযোগ কুমিল্লার মুরাদনগরে চাঞ্চল্যকর সজিব হত্যার এক নাম্বার আসামি সাকিব আটক। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের চিহ্নিত চাঁদাবাজ ইউনুছ কেরানিকে গ্রেফতারের দাবিতে ট্রাক পরিবহণ শ্রমিকদের ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ছেংগারচর পৌর প্রশাসকের সাথে ব্যবসায়ী ও বণিক সমিতির সাথে মতবিনিময় মতলব উত্তরের রাঢ়ীকান্দি দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত দেশীয় শিল্প নিয়ে চক্রান্তের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিড়ি শ্রমিক সমাবেশ বসুন্ধরা ডিজিটাল এ নতুন নাটক “মিডল ক্লাস লাভ স্টোরি” পটুয়াখালীতে হাসপাতালের শত শত খাবার স্যালাইন ডাষ্টবিনে,কুড়িয়ে নিলো আম জনতা। অটিস্টিক শিশুদের ডায়েট নিয়ে পুষ্টিবিদ সামিরা সুকৃতি “ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মহামান্য শেখ খলীফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলামকে ‘সমাজতন্ত্রের’ সঙ্গে মেলাতে চীনের নতুন আইন

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ইসলাম ধর্মকে ‘চীনা ঘরানার’ সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আইন করতে যাচ্ছে বেইজিং। দেশটিতে মুসলমানদের ধর্ম চর্চায় এটি নতুন বাধা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।শুক্রবার আটটি ইসলামী সংস্থার সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর নতুন আইনের এ সিদ্ধান্ত হয় বলে চীনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আল জাজিরা।

বৈঠকে দুই পক্ষই ‘ইসলামকে সমাজতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপায়ে পরিচালিত করা এবং চীনা ঘরানা অনুযায়ী তা বাস্তবায়নে একমত হয়েছে’ বলেও জানিয়েছে গ্লোবাল টাইমস।

বৈঠকে যেসব ইসলামী সংস্থা ছিল তাদের পরিচয় জানা যায়নি। আলোচনার বিস্তারিতও জানায়নি তারা।

শি জিনপিং চীনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ‘মতবাদে বিশ্বাসী গোষ্ঠী’র ওপর নানামুখী চাপ বাড়ছে, ভাষ্য আল জাজিরার।

চীনের অনেক অংশে মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে দাবি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর। কিছু কিছু এলাকায় নামাজ-রোজার পাশাপাশি দাড়ি রাখায় বা হিজাব পরায় অনেককে গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উইঘুরের ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে বিভিন্ন অস্থায়ী ক্যাম্পে আটক রেখে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া এবং জোর করে কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শে আস্থাশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলে ধারণা জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থারও।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযান চালানোর অভিযোগ করেছে। অগাস্টে ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের সম্পাদকীয়তে বলেছে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, বিশ্ব তা ‘এড়িয়ে যেতে পারে না’।

আল জাজিরা বলছে, চীনের বিভিন্ন মসজিদ থেকে গম্বুজ ও চাঁদ-তারার প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা এবং আরবি শেখানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে; শিশুদের ধর্মীয় চর্চায়ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অন্য একটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়েও জানিয়েছে তারা।

চীন অবশ্য শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্ম ও সংস্কৃতির সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের অভিযোগ

ইসলামকে ‘সমাজতন্ত্রের’ সঙ্গে মেলাতে চীনের নতুন আইন

আপডেট টাইম ০৪:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ইসলাম ধর্মকে ‘চীনা ঘরানার’ সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আইন করতে যাচ্ছে বেইজিং। দেশটিতে মুসলমানদের ধর্ম চর্চায় এটি নতুন বাধা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।শুক্রবার আটটি ইসলামী সংস্থার সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর নতুন আইনের এ সিদ্ধান্ত হয় বলে চীনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আল জাজিরা।

বৈঠকে দুই পক্ষই ‘ইসলামকে সমাজতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপায়ে পরিচালিত করা এবং চীনা ঘরানা অনুযায়ী তা বাস্তবায়নে একমত হয়েছে’ বলেও জানিয়েছে গ্লোবাল টাইমস।

বৈঠকে যেসব ইসলামী সংস্থা ছিল তাদের পরিচয় জানা যায়নি। আলোচনার বিস্তারিতও জানায়নি তারা।

শি জিনপিং চীনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ‘মতবাদে বিশ্বাসী গোষ্ঠী’র ওপর নানামুখী চাপ বাড়ছে, ভাষ্য আল জাজিরার।

চীনের অনেক অংশে মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে দাবি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর। কিছু কিছু এলাকায় নামাজ-রোজার পাশাপাশি দাড়ি রাখায় বা হিজাব পরায় অনেককে গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উইঘুরের ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে বিভিন্ন অস্থায়ী ক্যাম্পে আটক রেখে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া এবং জোর করে কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শে আস্থাশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলে ধারণা জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থারও।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযান চালানোর অভিযোগ করেছে। অগাস্টে ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের সম্পাদকীয়তে বলেছে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে, বিশ্ব তা ‘এড়িয়ে যেতে পারে না’।

আল জাজিরা বলছে, চীনের বিভিন্ন মসজিদ থেকে গম্বুজ ও চাঁদ-তারার প্রতিকৃতি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা এবং আরবি শেখানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে; শিশুদের ধর্মীয় চর্চায়ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অন্য একটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়েও জানিয়েছে তারা।

চীন অবশ্য শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্ম ও সংস্কৃতির সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।