সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষা

ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের পুরো ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফলাফল প্রকাশের এই বিলম্বকে ‘নজিরবিহীন’ বলে অভিহিত করেছে। পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে আসন দখলের দিক থেকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের চেয়ে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইমরান খানের পিটিআই। এখন তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষা।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে নির্বাচনের ফলাফল জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডন। রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ১৯৪টি আসনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে পিটিআই পেয়েছে ৯৮টি। পিএমএল-এন পেয়েছে ৪৯টি আসন। আর পিপিপি পেয়েছে ২৩টি আসন।

এদিকে এরই মধ্যে রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে নিজের দলকে বিজয়ী দাবি করেছেন তিনি।

পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, পিটিআই ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৭৭টি আসন পেয়েছে। পিএমএল-এন পেয়েছে ৪২টি আসন। আর পিপিপির দখলে থাকা আসনসংখ্যা ১৬টি।

জিও টিভি দিচ্ছে নির্বাচনের প্রাথমিক ও অনানুষ্ঠানিক ফলাফল। এতেও এগিয়ে আছে পিটিআই। এই দলটির দখলে আছে ১১৭টি আসন। এরপর থাকা পিএমএল-এন পেয়েছে ৬০টি। এই টেলিভিশন চ্যানেলের হিসাব অনুযায়ী, এখনো পর্যন্ত ৪০টি আসনে জিতেছে পিপিপি।

গতকাল বুধবার পাকিস্তানজুড়ে সাধারণ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। জাতীয় পরিষদের সঙ্গে দেশটির চারটি প্রাদেশিক পরিষদেও নির্বাচন হয়েছে। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি) মোট আসন ৩৪২টি। এর মধ্যে ২৭২টি আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত। কোনো দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে জিততে হবে ১৩৭ আসনে।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশে দেরি কেন?
পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ রাজা খান বলেছেন, ‘প্রযুক্তিগত সমস্যার’ কারণে ফলাফল প্রকাশে দেরি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সিইসি বলেন, ‘ফলাফলের ঘোষণা নিয়ে দেরি হওয়ার বিষয়টি আমি জানি। কিন্তু এটি একটি নতুন ব্যবস্থা এবং আমরা প্রথমবারের মতো এটি ব্যবহার করছি। তাই কিছুটা দেরি হচ্ছে।’

নির্বাচনের ফল প্রকাশের দেরি হওয়ার নেপথ্যে কোনো ‘ষড়যন্ত্র’ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাচন কমিশনের সচিব বাবর ইয়াকুব। তিনি বলেছেন, রেজাল্ট ট্রান্সমিশন সিস্টেমে (আরটিএস) প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে দেরি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar