ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হানিমুনে এসে স্বামীকে পিটিয়ে উধাও নববধূঃ প্রেমিকসহ গ্রেফতার এক ইলিশের দাম ৫ হাজার কলাপাড়ায় গাঁজাসহ ৪ জন গ্রেফতার প্রবাসে কাজের সন্ধানে গিয়ে প্রবাসীর মৃত্যু , তিন মাসপর নিজ বাড়িতে দাফন পটুয়াখালী জেলা শাখার সোনালী অতীত ক্লাবের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ আইজিপির অবৈধ দখল বাজদের দখলে বাকেরগঞ্জের পৌর শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া শ্রীমন্ত নদীর দু পাশ প্রধানমন্ত্রীর ৭৬ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছন সোনারগাঁয়ে কাঁচপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সভা ও সদস্য সংগ্রহ বাকেরগঞ্জে সোশাল ইসলামি ব্যাংকের ১৪৩ তম শাখা উদ্ভোধন

আপনি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিতে আছেন?

এসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ হলে সতর্ক হোন
আপনি কি ধূমপান করেন?
আপনার পরিবারে কি হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে?
আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি আছে?
আপনি কি কায়িক শ্রমবিহীন জীবন যাপন করেন? আপনি কি স্থূল?
আপনার মানসিক চাপ কি প্রচণ্ড?

আপনি কি ঝুঁকিতে আছেন?

কোনো সমস্যা বোধ করছেন না, বুকে ব্যথা করে না কখনো, অনেক পরিশ্রমও করতে পারেন, তার মানে আপনার কোনো দিন হার্ট অ্যাটাক হবে না—এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। কারও হৃদ্‌রোগ হওয়ার ঝুঁকি কতটুকু আছে, তা জানতে চিকিৎসকেরা কয়েকটি প্রশ্ন করে থাকেন। আপনি কি ধূমপান করেন? আপনার পরিবারে কি হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস বা অল্প বয়সে হঠাৎ মৃত্যুর ইতিহাস আছে? আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি আছে? আপনি কি কায়িক শ্রমবিহীন জীবন যাপন করেন? আপনি কি স্থূল? আপনার মানসিক চাপ কি প্রচণ্ড? এসব প্রশ্নের উত্তর যদি বেশির ভাগই ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক।

নিজের হার্টকে জানুন

হার্টকে ভালোবাসতে হলে নিজের হার্ট সম্পর্কে জানা জরুরি। কখনো কি তার ভালোমন্দ জানতে চেয়েছেন? ভাবছেন হার্টের ভালোমন্দ আবার কী করে জানবেন? খুব সোজা। নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন। বয়স ৩৫-এর ওপর হলে বছরে বা দুই বছরে একবার রক্তে শর্করা ও চর্বির পরিমাণ পরীক্ষা করে নিন। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ঠিক আছে কি না, তা বিএমআই ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিন।

সবাই মিলে হার্টের যত্ন নিই

নিজের ও নিজের পরিবারের শুধু নয়, সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে সবারই দায়বদ্ধতা দরকার। সুস্থ সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম, প্রতিদিন তাজা শাকসবজি, ফলমূল গ্রহণ, লবণ-চর্বি ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, ধূমপান-জর্দা তামাককে ‘না’ বলা, প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন রাতের ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়াতে আনন্দময় পারিবারিক বন্ধন ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, শখের চর্চা—এ রকম নানা ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি নিজের ও সবার হার্টের যত্ন নিতে শুরু করতে পারেন। সেই শুরুটা আজই হোক না কেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হানিমুনে এসে স্বামীকে পিটিয়ে উধাও নববধূঃ প্রেমিকসহ গ্রেফতার

আপনি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিতে আছেন?

আপডেট টাইম ০৬:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ অক্টোবর ২০১৮

এসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ হলে সতর্ক হোন
আপনি কি ধূমপান করেন?
আপনার পরিবারে কি হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে?
আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি আছে?
আপনি কি কায়িক শ্রমবিহীন জীবন যাপন করেন? আপনি কি স্থূল?
আপনার মানসিক চাপ কি প্রচণ্ড?

আপনি কি ঝুঁকিতে আছেন?

কোনো সমস্যা বোধ করছেন না, বুকে ব্যথা করে না কখনো, অনেক পরিশ্রমও করতে পারেন, তার মানে আপনার কোনো দিন হার্ট অ্যাটাক হবে না—এমন মনে করার কোনো কারণ নেই। কারও হৃদ্‌রোগ হওয়ার ঝুঁকি কতটুকু আছে, তা জানতে চিকিৎসকেরা কয়েকটি প্রশ্ন করে থাকেন। আপনি কি ধূমপান করেন? আপনার পরিবারে কি হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস বা অল্প বয়সে হঠাৎ মৃত্যুর ইতিহাস আছে? আপনার কি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির মাত্রা বেশি আছে? আপনি কি কায়িক শ্রমবিহীন জীবন যাপন করেন? আপনি কি স্থূল? আপনার মানসিক চাপ কি প্রচণ্ড? এসব প্রশ্নের উত্তর যদি বেশির ভাগই ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক।

নিজের হার্টকে জানুন

হার্টকে ভালোবাসতে হলে নিজের হার্ট সম্পর্কে জানা জরুরি। কখনো কি তার ভালোমন্দ জানতে চেয়েছেন? ভাবছেন হার্টের ভালোমন্দ আবার কী করে জানবেন? খুব সোজা। নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন। বয়স ৩৫-এর ওপর হলে বছরে বা দুই বছরে একবার রক্তে শর্করা ও চর্বির পরিমাণ পরীক্ষা করে নিন। উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন ঠিক আছে কি না, তা বিএমআই ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিন।

সবাই মিলে হার্টের যত্ন নিই

নিজের ও নিজের পরিবারের শুধু নয়, সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে সবারই দায়বদ্ধতা দরকার। সুস্থ সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম, প্রতিদিন তাজা শাকসবজি, ফলমূল গ্রহণ, লবণ-চর্বি ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, ধূমপান-জর্দা তামাককে ‘না’ বলা, প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন রাতের ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়াতে আনন্দময় পারিবারিক বন্ধন ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, শখের চর্চা—এ রকম নানা ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি নিজের ও সবার হার্টের যত্ন নিতে শুরু করতে পারেন। সেই শুরুটা আজই হোক না কেন।