বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা অনুসারে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

মাসুদ হাসান রিদম :  শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুন বলেছেন,অভ্যন্তরীণভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ২০ হাজার কোটি টাকার প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও বিপণন হচ্ছে।দেশে উৎপাদিত প্লাস্টিক পণ্যের গুণগতমানও উন্নত হচ্ছে।তাই আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুসারে প্লাস্টিক পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে ১৪তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিপিজিএমইএ) এই চার দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করেছে।
বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) সভাপতিত্বে জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এসময় উদ্বোধনীঅনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও এফবিসিসিআই’র সভাপতি মোঃ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন প্রমুখ।
এর আগে বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে ১৪তম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলা-২০১৯ এর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুন বলেন, দেশের প্লাস্টিক খাতকে আন্তর্জাতিক মানে ও পরিবেশবান্ধব খাতে পরিণত করা হবে। মেলার মাধ্যমে স্থানীয় প্লাস্টিক শিল্পগুলো আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে। এতে বিদেশে নতুন বাজার সৃষ্টি হবে।
এ সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের পথে দেশকে পরিচালিত করতে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা দেশকে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছে দিবে। ব্যবসায়ী সমাজের সমস্যাগুলো নিয়ে সরকার সচেতন আছে। এগুলোর দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ অর্জিত হবে।
শিল্পমন্ত্রী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ক্রমবর্ধমাণ চাহিদার যোগান দিতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের প্লাস্টিক কারখানা গড়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে ছোটবড় মিলিয়ে ৫ হাজার ৩০ টি প্লাস্টিক কারখানা গড়ে উঠেছে। এ খাতের সাথে পরোক্ষভাবে সাত লাখ লোক কাজ করছে। অভ্যন্তরীণভাবে দেশে ২০ হাজার কোটি টাকার প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও বিপণন হচ্ছে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন,রাষ্ট্রীয় এই খাত থেকে তিন হাজার কোটি টাকার রাজস্ব জমা হচ্ছে। প্রতিবছর এই খাত থেকে রফতানি আয় হচ্ছে  তিন হাজার সাতশ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে নতুন পণ্য রফতানির তালিকা সংযোজন করতে হবে।
এ সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিপিজিএমইএ এর সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরির কোনো বিকল্প নেই। তাই প্লাস্টিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই নগরী গড়ে তোলা হলে পুরান ঢাকায় যে ছোট কারখানাগুলো আছে তা সরিয়ে নিতে পারবো। নয়তো প্লাস্টিকের যে রফতানি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা নষ্ট হয়ে যাবে।
নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar