বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন

অসম্ভব উন্নয়নের রূপকার মো. ফিরোজ মিয়া চেয়ারম্যান

মোঃ খলিলুর রহমান জেলা প্রতিনিধি দৈনিক মাতৃভূমির খবরঃ নবীনগর সদর কেন্দ্রিক ৭নং নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নটি সদর কেন্দ্রিক হলেও বিগত ২০১৬ সালের আগে এই ইউনিয়নে উন্নয়নের কোন ছোয়া লাগেনি। মোঃ ফিরোজ মিয়াকে ২০১৬ সালের নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার কান্ডারি হিসেবে দায়িত্ব তুলে দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৬ সালে এই ইউনিয়ন থেকে নৌকার মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতিকে বিশাল ভোটের ব্যাবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নবীনগর উপজেলা শাখার মোঃ ফিরোজ মিয়া। তিনি ১৯৫৭ সালে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের লাপাং গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৃত মদন মিয়া। তিনি পড়াশুনায় থাকা কালীন সময় হতে ১৯৭৬ সনে কলেজ জীবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর একজন আর্দশ সৈনিক হিসেবে কলেজ ছাত্রলীগের কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুইবারের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। একই সাথে তিনি ১৯৯১ সাল থেকে অদ্যাবধি নবীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিটি কমিটিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রæয়ারি ভোটারবিহীন জাতীয় নির্বাচন বাতিলের আন্দোলনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডঃ আব্দুল লতিফ এমপি’র নেতৃত্বে রাজপথে ছিলেন। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীতে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন নবীনগর উপজেলা কমিটির সম্মানিত সদস্য। সাবেক আহবায়ক নবীনগর উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটি। বর্তমানে ও উক্ত কমিটির সদস্য। তিনি নবীনগর উপজেলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ঐক্য ফোরামের আহবায়ক। তিনি একনাগাড়ে তিন তিন বারের সফল সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি লাপাং উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর, ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া। সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি লাপাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিনি সভাপতি, নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের। তিনি, সাবেক সভাপতি, নবীপুর ইসলামিয়া সিরাজিয়া মাদরাসা, নবীনগর, ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া। মোঃ ফিরোজ মিয়াকে ২০১৬ সালে ইউনাইটেড হিউম্যান রাইটস কর্তৃক ব্রা‏হ্মণবাড়িয়া জেলার সফল মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব, মানবসেবক ও সমাজসেবক হিসেবে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মননা পদকে ভূষিত করা হয়। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৬ সালে শিক্ষার মান উন্নয়ন দিক খেয়াল রেখে মোঃ ফিরোজ মিয়া শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেন। প্রতিটি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মানোন্নয়নের জন্য সর্বদা নজর রাখেন। তিনি আগামীদিনের জাতির কান্ডারি যুবসমাজকে সুস্থ ধারায় মানুষ হওয়ার লক্ষ্য ফুটবল টুর্নামেন্ট, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, নৌকা বাইচ ও ইউনিয়ন ভিত্তিক মেধা যাচাইয়ের প্রতিযোগিতার আসর দিয়ে মাদক মুক্ত একটি আর্দশ নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন গঠনে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। জেলা পর্যায়ে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতায় তিনি উনার ইউনিয়নের মাধ্যমে উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করে, ৩য় স্থান অধিকার করে নবীনগর উপজেলা তথা নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন এর সুনাম বয়ে আনে। (রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দায়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিথ্যা মামলা – মোকাদ্দমার আসামি করে তাকে দমন পীড়নের কবলে পড়ে দীর্ঘদিন ও একাধিকবার কারাবাস থাকতে হয়, তথাপি তাকে আওয়ামী লীগের আদর্শ থেকে প্রতিবাদী, ত্যাগী ও জনবান্ধব মাটি ও মানুষের নেতাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। চারদলীয় জোট সরকারের আমলের দুঃসাসনের কবর রচনা করে উন্নয়ন ও শান্তির নগরীতে পরিনত করার ক্ষেত্রে যে মানুষটিকে কোনদিন ভুলার মত নই তিনিই হলেন বর্তমান অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ মিয়া। তিনি আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের ন্যায় দাঙ্গা প্রবন পশ্চিম ইউনিয়নে শিক্ষা বিস্তারে ও যোগাযোগ ব্যবস্থার যে আবদান রেখেছেন তার তুলনা একমাত্র তিনিই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জনগনের সহযোগিতাকে সঙ্গী করে এলাকার উন্নয়নে নিজেকে শপে দেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রজীবন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে অতিবাহিত করেছেন প্রায় তিন যুগেরও অধিক সময়। এই বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সাথে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের বিভিন্ন পদে থেকে। মোঃ ফিরোজ মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জোড় দেন এলাকার শান্তি, শিক্ষা ও উন্নয়নে। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে এই ইউনিয়নটি দাঙ্গা প্রবন এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। তিনি এই দাঙ্গা নিরসন করেছেন। তিনি বলেন, এখনো দুই একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে এগুলোও আমি শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসব। তিনি লাপাং উচ্চ বিদ্যালয়ের বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র চারতলা ভবনের কাজে সর্বাতœক সহযোগিতা করেন। ফিরোজ মিয়ার সবচেয়ে বড় সাফল্য এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন। একটা সময় ছিল এই ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের লোকজন নৌকা ছাড়া যোগাযোগ করতে পারত না। তিনি নরসিংহপুর- ফতেহপুর থেকে চিত্রি পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মাণ করেন, এই রাস্তাটি হওয়ার ফলে নবীপুর ও চিত্রীর লোকজন অতি সহজে নবীনগর সদরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। তিনি চরলাপাং থেকে ইসলামপুর হয়ে লাপাং পর্যন্ত একটি রাস্তা নির্মান করেন। ইতি মধ্যে এই রাস্থায় ৯৩ লক্ষ টাকার কাজ হয়েছে। এই রাস্তার জন্য আরো ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই রাস্তাটিতে একটি কালভার্ট ও একটি ব্রিজ ও হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই রাস্তাটি দিয়ে নরসিংদী রায়পুরা থানার মির্জারচর ইউনিয়ন ও তার আশে পাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। এই রাস্তাটি হলে চরলাপাং, ইসলামপুর তথা নরসিংদী রায়পুরা থানার মির্জারচর ইউনিয়ন ও তার আশে পাশের গ্রামের লোকজন নবীনগর সদরের সাথে অতি দ্রæত যোগাযোগ করতে পারবে। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের এমন কোন গ্রাম নেয় তিনি উন্নয়ন করেননি। একটা সময় পশ্চিম ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ছিল দ্বীপের মত। একটি গ্রাম থেকে আরেকটি গ্রামে যেতে নৌকার প্রয়োজন হত। ফিরোজ মিয়া চেয়ারম্যানের দক্ষ পরিচালনায় ও দুঃসাহসী পদক্ষেপে আজ প্রতিটি গ্রামে যাওয়ার জন্য রিং রোড হয়েছে। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান এর আমলে প্রতিটি গ্রাম শত ভাগ বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। তিনি বিভিন্ন গ্রামের নির্মাণ করেছেন অসংখ্য নতুন মাটির রাস্তা ও রাস্তার উপর ইটের সলিং,অসংখ্য গণঘাটলা, স্ট্রিট লাইট, কালভার্ট ইত্যাদি। মোঃ ফিরোজ মিয়ার কর্মকান্ড ভালোবেসে, পশ্চিম ইউনিয়নের সুবিধাভোগী সাধারণ জনগণ ফিরোজ চেয়ারম্যানকে আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন





সর্বস্বত্ব © ২০১৯ মাতৃভূমির খবর কর্তৃক সংরক্ষিত

Design & Developed BY ThemesBazar